জন্মগতভাবে মলদ্বার না থাকা অথবা মলদ্বারে ত্রুটি থাকা (ARM- এনোরেক্টাল ম্যালফরমেশন) বিষয় নিয়ে গার্জিয়ানদের মধ্যে যে পরিমাণ আতংক দেখা যায়, বিষয়টা কি আসলেই অতটা জটিল ??? আলোচনা করা যাক।। জন্মের পর যে বাচ্চার মলদ্বার-ই নাই, সেই বাচ্চা বাচার আশা করার মত আশাবাদী মানুষ আসলেই পাওয়া কঠিন ছিল। আর ১/২ দিনের বাচ্চার জন্য শিশু সার্জন ও এনেস্থিটিস্ট পাওয়া ছিল স্বপ্নের মত। এখন আলহামদুলিল্লাহ শিশু সার্জন আর এনেস্থিটিস্ট দুই পক্ষই দুর্লভ না হওয়াতে মানুষ আশা নিয়ে আমাদের কাছে আসে। মলদ্বারের সমস্যা নিয়ে নবজাতক যখন আসে, তখন আমরা যেটা খুজি, মলদ্বার একদম -ই নাই, নাকি আশে-পাশে-উপরে-নিচে অন্য কোথাও আছে।এটা অনেক রকম হতে পারে।তবে সবচেয়ে কমন যেগুলা পাওয়া যায়, সেগুলোই আজকের আলোচ্য। ১. মলদ্বার নাই অর্থাৎ কোনো ছিদ্র নাই। (ছেলে/মেয়ে) ২.মলদ্বার আছে কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে সরু এবং স্বাভাবিকের চেয়ে উপরের দিকে (ছেলে/মেয়ে) ৩. মেয়ে বাচ্চা হলে- মাসিকের রাস্তার নিচে ৪. ছেলে হলে অন্ডথলির নিচে/মাঝখানে ছোট্ট ছিদ্র দিয়ে যেটাই হোক, অপারেশন করলে আলহামদুলিল্লাহ বেশির ভাগ বাচ্চাই সুস্থ হয়ে যায়। তাই বাচ্চা জন্মের পর অন্ডকোষ এর পাশাপাশি মলদ্বার খুজুন, আর মলদ্বার নিয়ে সন্দেহ হলেই দ্রুত আশেপাশে শিশু সার্জন খুজে যোগাযোগ করলে ও পরামর্শ মেনে চললে কিছু না কিছু একটা সমাধানে ইনশাআল্লাহ পৌছানো যাবে। ডাঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (পেডিয়াট্রিক সার্জারি) এমআরসিএস (পার্ট-বি) ইংল্যান্ড নবজাতক, শিশু সার্জারি ও শিশু ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী।