বর্তমানে শুধু নারীদের নয়, পুরুষদের বন্ধ্যাত্বও (Infertility) বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রায় ৩০–৪০% দম্পতির সন্তান না হওয়ার পেছনে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কোনো না কোনোভাবে জড়িত। তাই বিষয়টি নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
বন্ধ্যাত্ব কী?
যদি কোনো দম্পতি নিয়মিত দাম্পত্য জীবনযাপনের পরও এক বছরের মধ্যে সন্তান ধারণে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেটিকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। এটি নারী বা পুরুষ উভয়ের কারণেই হতে পারে।
পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের সাধারণ লক্ষণসমূহ
পুরুষদের ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্ব অনেক সময় সরাসরি বোঝা যায় না। তবে কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
কেন এই সমস্যা বাড়ছে?
বাংলাদেশে পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব বেড়ে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে—
করণীয়
যদি এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দেয়, লজ্জা না পেয়ে একজন অ্যান্ড্রোলজিস্ট বা ইউরোলজিস্ট ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে বীর্য পরীক্ষার (Semen Analysis) মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় সমস্যার ধরন ও মাত্রা সম্পর্কে।
উপসংহার
পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব কোনো লজ্জার বিষয় নয়; এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য শারীরিক সমস্যা। সময়মতো চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন (যেমন নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন, সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম) মেনে চললে অনেক ক্ষেত্রেই এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।