বন্ধ্যাত্বের কারণ
Share on

2025-09-20 11:24:23

বন্ধ্যাত্বের কারণ

বন্ধ্যাত্ব নারী ও পুরুষ উভয়েরই হতে পারে এবং এর কারণগুলো হলো শুক্রাণুর সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, প্রজননতন্ত্রের বাধা বা সংক্রমণ, ডিম্বাশয় ও জরায়ুর সমস্যা, বয়স, জীবনযাত্রার ধরন, এবং কিছু শারীরিক অবস্থা বা চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। একজন দম্পতি এক বছর ধরে চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ করতে না পারলে তাকে বন্ধ্যাত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়। পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের কারণ শুক্রাণুর সমস্যা: শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া (অলিগোজুস্পার্মিয়া), শুক্রাণুর আকার ও গতিশীলতায় সমস্যা, বা শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি (অ্যাজুস্পার্মিয়া)। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: শরীরে হরমোনের সঠিক মাত্রার অভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা ও কার্যকারিতা কমে যায়। প্রজননতন্ত্রে বাধা: শুক্রাণু পরিবহনকারী নালীতে (যেমন ভেরিকোসেল) বাধা সৃষ্টি হলে শুক্রাণু বের হতে পারে না। শারীরবৃত্তীয় বা জন্মগত ত্রুটি: অণ্ডকোষের ত্রুটি বা প্রজননতন্ত্রে অন্য কোনো জন্মগত অস্বাভাবিকতা। সংক্রমণ: প্রজননতন্ত্রে সংক্রমণ হলে শুক্রাণুর পরিমাণ ও কার্যকারিতা কমে যায়। অন্যান্য কারণ: বিকিরণ, কিছু ওষুধ, এবং ক্যান্সারের চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। নারীদের বন্ধ্যাত্বের কারণ ডিম্বস্ফোটন সমস্যা: অনিয়মিত বা অস্বাভাবিক ডিম্বস্ফোটন, যা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) বা থাইরয়েড রোগের কারণে হতে পারে। ফ্যালোপিয়ান টিউবে বাধা: ডিম্বাণু ও জরায়ুর মাঝের নালীতে বাধা থাকলে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। এন্ডোমেট্রিওসিস: জরায়ুর ভেতরের টিস্যু যদি জরায়ুর বাইরে জন্মায়, তবে এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। বয়স: ডিম্বাণুর সংখ্যা ও মান বয়সের সাথে সাথে কমে যায়, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। শারীরিক অবস্থা: অনিয়মিত মাসিক, ভারী রক্তপাত, বা জরায়ুর কোনো জন্মগত ত্রুটিও বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। উভয়ের জন্য সাধারণ কারণ জীবনযাত্রার কারণ: মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ব্যায়াম, এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস উর্বরতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কিছু ওষুধ ও চিকিৎসা: কিছু ওষুধ বা ক্যান্সারের মতো রোগের চিকিৎসা বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।

এই পাতাটি ৩১বার পড়া হয়েছে